মানুষ কি সত্যিই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল ? | প্রযুক্তির আলোয় * আলোকিত জগৎ | The whole technology of light

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল ?

Print this post

ছবিগুলো ভালো করে লক্ষ্য করুন ! প্রথম ছবি : চাদেঁর মাটিতে পতপত করে উড়ছে আমেরিকার পতাকা ; কিন্তু আমরা তো জানি চাদেঁ বাতাস নেই, তাহলে পতাকাটি কিভাবে উড়ছে ? দ্বিতীয় ছবি : সামনে ছায়া তার মানে পেছনে আলোক উত্‍স অর্থাত্‍ সূর্য ।তাহলে সামনের অংশের (চিন্হিত) আলোর উত্‍স কি ? ফ্লাশলাইট ? কুচকুচে ছায়ার পাশে উজ্জ্বল আলো কিন্তু সূর্যের কাছাকাছি অন্ধকার ?

মানুষ কি সত্যিই

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল

এর অর্থ কি ? তৃতীয় ছবি : চাঁদে বাতাস এবং মেঘ না থাকায় চাঁদের আকাশে অবশ্যই তারা দেখা যাওয়ার কথা কিন্তু ছবিটি লক্ষ করুন ।চাঁদের উপরে তোলা এই ছবিটিতে আকাঁশে কোনো তাঁরাই দেখা যাচ্ছে না । তৃতীয় ছবিটি আবার লক্ষ্য করুন । চাঁদের মাটিতে অবতরণ করা অবস্হায় মহাকাশযানের ছবি তুলতে হলে অবশ্যই চাঁদে দাঁড়িয়ে তুলতে হবে কিন্তু চাঁদে দিনে ১৭০ ডিগ্রী ও রাতে ১৫৩ ডিগ্রী তাপমাত্রায় সেটি কিভাবে সম্ভব ? চতুর্থ ছবি : ছবিতে পায়ের চিন্হটি মনে হচ্ছে নরম ও কর্দমাক্ত মাটিতে তৈরী কিন্তু চাঁদে পানি নেই ।তাই চাঁদের মাটি ভয়ংকর রকমের শক্ত ।

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল

আর শুকনো মাটিতে এই ঢরনের গভীর পদচিন্হ অসম্ভব।যদি কেউ দাবি করে মহাকাশচারীরা চাঁপ দিয়ে এই ছাপ তৈরি করেছেন তবে সেটা পুরোপুরি হাস্যকর ।কেননা চাঁদের মাটি যে পরিমান শক্ত তাতে চাঁপ দিয়ে এই ছাপ তৈরি প্রায় অসম্ভব ।তাছাড়া চাঁদের অভিকর্ষজ বল পৃথিবীর ছয় ভাগের একভাগ ।অর্থাত্‍ চাঁদের মাটিতে দাড়িয়ে থাকাই কষ্টকর । শুধু তাই নয় , পৃথিবীতে এই রকম মাটিতে এই রকম ছাপ তৈরিতে যে শক্তির প্রয়োজন চাঁদে তার ছয়গুন শক্তির প্রয়োজন হবে।এই রকম মাটিতে ছাপ তৈরিতে কি পরিমান শারীরিক কসরত করতে হবে সেটি সহজেই অনুমেয় ।

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল

আর চাঁদে তার ছয়গুন শক্তি ব্যাবহার করে ছাপ তৈরি করা মহাকাশচারীদের পক্ষে বিপদজ্জনক ।তারা এই ঝুকি কেন নিতে যাবেন ? যে যানটিতে চড়ে নীল আম্স্রং চাদে অবতরন করেন। সেটি মাত্র একবার টেষ্ট করা হয়েছে। এ টেষ্টে আমস্ট্রং কোন রকমে বেঁচে যান। এপোলো ত্রয়োদশ যার দেখেছেন তারা বুঝতে পারবেন চাঁদের বহিআবরণ (মাটি) কত কঠিন।

মানুষ কি সত্যিই চাঁদের

নভোচারিদের পায়ের ছাপ

পঞ্চম ছবি : চাঁদের পৃষ্ঠে এই অদ্ভূত ছায়া কিসের? নাসা বলেছিলো এটা নাকি ৯৫ কি:মি: উপর দিয়ে উড়ন্ত রকেটের ছায়া ! তাহলে তার চেয়ে নিচ দিয়ে গমনকারী উড়োজাহাজের ছায়া ভূপৃষ্ঠে পড়েনা কেন ? চন্দ্র জয়ের সত্যতা নিয়ে ইউরুপ আমেরিকায় যথেস্ট আলোচনা হয়েছিল। অনেক পশ্চিমা গবেষক মনে করেন, রুশদের সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে, হলিউঠও এই নাটকে সহযোগিতা করেছে । শেষ পর্যন্ত নাসা ছাড়া আসল সত্য কেউ বলতে পারবেনা।তাই আপাতত অপেক্ষা করা ছাড়া কিছুই করার নেই ।

 

চাঁদে মানুষ কখনোই স্থির হয়ে দাড়াতে পারে না ।কেউ যদি ছবি তুলতে চায় তবে তাকে অব্যশই কিছুক্ষন দাঁড়াতে হবে ।ছবিটি দেখে মনে হচ্ছে সেটি স্থির হয়ে ধীরে সুস্থে তোলা হয়েছে ।ছবিটি লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন এটি আলোতে দাড়িয়ে তোলা হয়েছে ।১০০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে , সেখানে ১৭০ ডিগ্রী তাপমাত্রা অর্থাত্‍ পানি ফোটার তাপমাত্রার দেড়গুন থেকেও বেশি ।সেই সময় যে মহাকাশচারীর পোষাক ব্যাবহার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয় তা কোনোভাবেই এই তাপমাত্রা সহ্য করার উপযোগি নয় ।যদি সহ্য করতেও পারে তবে কয়েক সেকেন্ডের বেশি নয় ।

উল্লেখ্য যে নাসাই দাবী করেছিল মহাকাশচারীদের পোষাক এই অভিযানের পক্ষে অনূকুল ছিল না ।

 

 

লিখেছেন

জানা অজানার মহাবিশ্ব

You can leave a response, or trackback from your own site.