এরিয়া ৫১ এর রহস্য | প্রযুক্তির আলোয় * আলোকিত জগৎ | The whole technology of light

এরিয়া ৫১ এর রহস্য

Print this post

আসুন জেনে নেই এরিয়া ৫১ কি, এটা কোথায় এবং এখানে কি হয়?

এরিয়া ৫১  লাস ভেগাস থেকে ৯৫ কিমি দুরে গ্রুম লেকের পাশে অবস্থিত।দুর্ভেদ্য বেষ্টনীতে ঘেরা এ ঘাটির প্রবেশপথে লেখা আছে অনধিকার প্রবেশকারীকে গুলি করা হতে পারে। এপর্যন্ত বেসামরিক কেউ দাবী করেনি তিনি এরিয়া ৫১ এ ঢুকেছেন। যদি কেউ ঢুকেও থাকেন তাহলে তিনি জীবিত আর বের হতে পারেন নি তা নিশ্চিত। এরিয়া ৫১ এর আশপাশের বাসিন্দাদের অনেকে অনেক রকম কথা বলেছে। তাদের অনেকের দাবী এরিয়া ৫১ এর আকাশে ফ্লাইং সসারের মত মত কিছু উড়তে তারা দেখেছেন। আবার অনেকেই নাকি এমন দ্রুতগতির বিমান উড়তে দেখেছেন যার গতি সাধারণ বিমান বা যুদ্ধবিমান কোনোটার সাথেই মিলে না।  তবে এসব বিতর্ককে আরও ঘনীভূত করেছেন এরিয়া ৫১ এ কর্মরত পদার্থবিজ্ঞানী বব লেজার । এক টিভি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন এরিয়া ৫১ এমন কিছু মৌলিক পদার্থ নিয়ে গবেষণা করা হয় যা আবিষ্কারের ঘোষণা এখনও দেওয়া হয় নি। তিনি অবশ্য কিছু ধোয়াটে বক্তব্য দিয়েছেন একটি মৌলিক পদার্থ নিয়ে।তারমতে সুপারনোভা বা বাইনারি স্টার সিস্টেম থেকেই সম্ভবত একটি মৌল সংগ্রহ করা হয়েছে। যার মাত্র ২.২ পাউন্ড কিন্তু এটি দ্বারা ৪৭টি ১০ মেগাটন হাইড্রোজেন বোমা বানানোর জন্য যথেষ্ট। ওখানে নাকি একটি টাইম মেশিন আছে।টাইম মেশিনে এই মৌলটি রাখা হলে টাইম মেশিনটি সময়কে স্থির করে রাখতে পারে। তারা নাকি সময় স্থির করে রাখার পরীক্ষা চালিয়ে সফলও হয়েছেন। তার মতে  টাইম মেশিনটি ঐ মৌলিক পদার্থটিকে ব্যবহার করে কোন একভাবে অ্যান্টিম্যাটার তৈরি করে এবং তারফলে বিপুল শক্তি উৎপাদিত হয়। অ্যার্টিম্যাটার রিয়েক্টরে শক্তি উৎপাদনের ফলে বস্তুর নিজস্ব মহাকর্ষ বলের সৃষ্টি হয় এবং নিজস্ব শক্তিতে তা বিদুৎবেগে ছুটতে পারে।এবং এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাকি ওখানে ফ্লাইং সসার তৈরির গবেষণা চলছে।তবে বব সবচেয়ে বড় বোমা ফাটান এই বলে সেখানে নাকি এলিয়েন দের নিজে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এক ফ্লাইং সসার আছে। ওখানে এলিয়েনটির ব্যবচ্ছেদ করে নাকি পাওয়া গেছে ঐ প্রাণীটি এসেছে রেটিকুলাম-৪ নামক জ্যোতিষ্ক থেকে।প্রাণীটির উচ্চতা সাড়ে তিন ফুট শরীর রোমহীন কালো বড় বড় চোখ এবং শরীর কৃশকায়। দেহ ব্যবচ্ছেদ করে নাকি ফুসফুস ও হৃৎপিন্ডর বদলে বিশাল এক পতঙ্গ পাওয়া গেছে।

তবে এতসব বিতর্কই শেষ নয়। এরিয়া৫১ নিয়ে চলমান বিতর্কের সবচেয়ে বড়টিহল মানুষের চাঁদে যাওয়া নিয়ে নাটক। মানুষ চাঁদে গিয়েছে এ নিয়ে নাটকের কিআছে? আপনারা হয়ত তা বলবেন। কিন্তু দুনিয়াতে প্রচুর সন্দেহবাদী যাদের ধারনামানুষ কখন চাঁদে যায়নি। পুরো নাটকটি সাজানো হয়েছে এই এরিয়া ৫১ এরভিতর। মানুষ প্রথম চাঁদে গিয়েছিল ১৯৬৯ সালে, এর পর আজপর্যন্ত একবারও কেন মানুষ চাদে যায় না? মজার ব্যাপার হচ্ছে এত বিতর্ক চললেও আমেরিকানসরকার এসব কোনোকিছুই স্বীকার করেনি আজপর্যন্ত। তাতে সন্দেহ না কমে বরংআরো বেড়েছে।
উইকিপিডিয়া থেকে আরো কিছু লেখা

এরিয়া ৫১ (ইংরেজি: Area 51 এরিয়া ফিফটীওয়ান্‌) একটি বিশাল (নেলিসের বিমান বাহিনী) সামরিক বাহিনীর অপারেশন ঘাটি, যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার। এটি পশ্চিমা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত[১]। এটি একটি বিরাট গোপনীয় সামরিক বিমান ঘাঁটি যা ঠিক গ্রুম হ্রদের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত। এটির ভিত্তির প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ তৈরি, অস্ত্রশস্ত্রের সিস্টেমের পরীক্ষাকরণ এবং উন্নতিসাধন সমর্থন করা।[২][৩]

ভিত্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর বিশাল নেভাডা পরীক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সীমার মধ্যে অবস্থান করে। ভিত্তির সুবিধার্থে “স্বপ্নের ভূমি”, “বেহেশ্তের রেকেল”, “বাড়ি ভিত্তি”, “পানির শহরের অংশ”, “গ্রুম হ্রদ” এবং সর্বাপেক্ষা সাম্প্রতিক কালে “সুখাবহ বিমানবন্দর” হিসাবেও জানা হয়। প্রায়ই সামরিক বিমানচালকরা ভিত্তির চারিদিকের আকাশ সীমাকে “বাক্স” বলে ডাকে। ভিত্তিটি যে উচ্চ স্তরের গোপনীয়তা পরিবেষ্টন করে তা মার্কিন সরকার এর অস্তিত্ব কেবল অস্পষ্টভাবে স্বীকার করে। এই ভিত্তির একটি নমুনা বিষয়ক চক্রান্তের তত্ত্বসমূহ এবং অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু (UFO) উপকথা নায়ক।

২০০৯ সালে অবসর প্রাপ্ত বিভিন্ন কর্মকতারা যাদের এরিয়া ৫১-তে কাজ করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবী করে তাঁরা বলেন, এরিয়া ৫১ উন্নতিসাধন এবং সাম্প্রতিক প্রযুক্তির পরীক্ষাকরণের (সামরিক জেড প্লেন, চান্দ্র মডিউল, ইত্যাদি) কাজের জন্য অনেক গোপনীয়তা সাথে ব্যবহার করা হয়।

 

উড্ডায়ন পথ

এরিয়া ৫১ এর উড্ডায়ন পথ

ভিত্তিতে সাতটি বিমান উড্ডায়ন পথ রয়েছে, তার মধ্যে এখন একটিকে বন্ধ বলে মনে হয়। বন্ধ উড্ডায়ন পথটি হল 14R/32L, যার দৈর্ঘ্য ৭,১০০ মিটার (২৩,৩০০ ফুট) প্লেন থামার জায়গা বাদে। অন্য উড্ডায়ন পথ দুটি খুব কালো রঙের। 14R/32L উড্ডায়ন পথটির দৈর্ঘ্য ৩,৬৫০ মিটার (১২,০০০ ফুট) এবং 12/30 উড্ডায়ন পথটির দৈর্ঘ্য ১,৬৫০ মিটার (৫,৪০০ ফুট)। অন্য উড্ডায়ন পথ চারটি লবণ হ্রদের সামনে অবস্থিত। এই চারটি উড্ডায়ন পথ হল 09R/27L এবং 09R/27L, যার উভয়েই দৈর্ঘ্য ৩,৫০০ মিটার (১১,৪৫০ ফুট) এবং 03L/21R আর 03R/21L, যার উভয়েই দৈর্ঘ্য ৩,০৫০ মিটার (১০,০০০ ফুট)। ভিত্তিতে হেলিকপ্টার নামার জন্য একটি জায়গাও রয়েছে।

২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে, যাত্রিবাহী বিমানচালকরা লক্ষ্য করেছিলেন যে ভিত্তিতে তাঁদের বিমান দিকনির্নয় পদ্ধতি পরিমার্জন করেছে, KXTA এর ICAO বিমান ঘাঁটি চিহ্নিত কোডের সঙ্গে সাম্প্রতিক জাপানী ডেটাবেস পরিমার্জন এবং “হমেয় বিমানবন্দর” হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বিমান ঘাঁটি ডেটার সম্ভবত অসাবধানতা মুক্ত স্বাত্তাধীকারী প্লেন এবং বিমানচালক সমিতির দ্বারা উপদেশে নেতৃত্ব দিয়েছিল (AOPA) যে ছাত্র বিমানচালকদের KXTA সালের সম্বন্ধে স্পষ্টভাবে সাবধান করা উচিত, যেকোনও উড্ডায়নের জন্য এইটি নির্দিষ্ট্য করলেও এটিকে একটি রাস্তা অথবা গন্তব্য হিসেবে এইটি বিবেচনা না করতে যদিও জনগণ দিকনির্নয় ডেটাবেসে এখন আবির্ভূত হয়।

 

বিমানবন্দরের ধরন সামরিক
অপারেটর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী
অবস্থান দক্ষিণ নেভাডা,  যুক্তরাষ্ট্র
সাগর স্তর থেকে উচ্চতা ৪৪৬২ ফুট / ১৩৬০ মিটার
স্থানাঙ্ক undefined37°14′06″N115°48′40″W

 

 

 

This satellite image of Area 51 shows dryGroom Lake just northeast of the site.
IATA: none – ICAO: KXTA
Summary
Airport type Military
Owner United States Government
Operator United States Air Force
Location Southern Nevada, United States
Elevation AMSL 4,462 ft / 1,360 m
Coordinates 37°14′06″N 115°48′40″W
Runways
Direction Length Surface
ft m
14L/32R 12,000 3,658 Asphalt
12/30 5,420 1,652 Asphalt
09L/27R 11,440 3,489 Salt
09R/27L 11,440 3,489 Salt
03L/21R 10,030 3,057 Salt
03R/21L 10,030 3,057 Salt
14R/32L 23,270 7,093 Closed

 

এরিয়া ৫১ এর কিছু ছবি
undefined
undefined
লিখেছেন—-Science Pocket এবং  উইকিপিডিয়া

 

 

You can leave a response, or trackback from your own site.